Site icon dailysharenews.com – Share Market News Portal in Bangladesh

গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র

দেশের পুঁজিবাজারে একের পর এক কারসাজিতে গত দেড় দশকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই কারসাজি চক্রকে প্রতিহত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনেকটা ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, কমিশনের দুর্বল আইনি পদক্ষেপ, নামমাত্র জরিমানা এবং বছরের পর বছর ঝুলে থাকা মামলা মূলত কারসাজি চক্রকে নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে আরও বেশি উৎসাহিত করেছে। বিএসইসির ঢিলেঢালা পদক্ষেপের কারণে পুঁজিবাজারে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিচার এক প্রকার প্রহসনে পরিণত হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে কয়েক লাখ বা কয়েক কোটি টাকা জরিমানা দিলেই পার পাওয়া সম্ভব—এমন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে কারসাজি চক্রের ভেতরে। ফলে বিগত ১৫ বছরে বাজারে বড় বড় ধস, প্লেসমেন্ট শেয়ারের কেলেঙ্কারি এবং কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দর বাড়ানোর অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে।

বিএসইসি মাঝেমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালে মামলাও করেছে, তবে সিংহভাগ মামলাই বছরের পর বছর ঝুলে রয়েছে।

বিএসইসির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ, কারসাজি চক্রের বিরুদ্ধে সংস্থাটির করা মামলার এজাহারে আইনি ফাঁকফোকর এবং দুর্বল তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।

এর সুবিধা নিয়ে আসামিরা সহজেই উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসে। পুঁজিবাজারের অপরাধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হলেও সেখানে মামলা নিষ্পত্তির হার হতাশাজনক। দেড় দশকে হাতেগোনা কয়েকটি মামলার রায় এলেও মূল হোতারা থেকে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

কারসাজি দমনে বিএসইসির সবচেয়ে বড় অস্ত্র ছিল তাদের জরিমানা নীতি। বিগত কমিশনগুলোর আমলে চক্রটি শেয়ারের দর কারসাজি করে ১০০ থেকে ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর বিএসইসি তাদের ৫০ লাখ টাকা বা এক কোটি টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দিয়েছে। এই ধরনের নামমাত্র জরিমানা অপরাধীদের জন্য কোনো শাস্তি নয়, বরং এই টাকা ‘খরচ’ করে তারা কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে উৎসাহিত হচ্ছে বলে মনে করেন ট্রাস্ট ব্যাংক সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী ফখরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নিয়ন্ত্রক সংস্থার খামখেয়ালি সিদ্ধান্তে আমাদের মতো সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আজ নিঃস্ব। আমরা যারা পুঁজিবাজারে কষ্টার্জিত টাকা বিনিয়োগ করি, আমাদের কোনো মুনাফা তো দূরে থাক, উল্টো বিশাল অঙ্কের লোকসান নিয়ে বাজার ছাড়তে হচ্ছে। কোনো রকম পূর্বঘোষণা না দিয়েই হুটহাট করে যেসব কোম্পানির উৎপাদন ৬ থেকে ৮ মাস বন্ধ, সেগুলোকে সরাসরি জেড ক্যাটাগরিতে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার পোর্টফোলিওতে থাকা শেয়ারটির ক্যাটাগরি বদলে গেছে।’

উদাহরণ দিয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘এমারেল্ড অয়েলের মতো শেয়ারে আমার নিজের এবং পরিচিত অনেকের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হয়ে গেল। কোনো খসড়া নীতি প্রকাশ না করে, খামখেয়ালিভাবে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে বাজার শুধরাবে কীভাবে? সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার কোনো প্রতিফলন এখানে নেই। ১৫০০ কোটি টাকা জরিমানা হয়, অথচ আদায় হয় ৩৩ লাখ টাকা।’

এটা কারসাজি চক্রকে উৎসাহিত করছে এবং বাজারে আস্থার সংকট তৈরি করছে বলে তিনি মনে করেন।

কাগজে-কলমে জরিমানা আর মামলা দিয়ে কারসাজি বন্ধ করা সম্ভব নয়। এতে কারসাজিকারীরা আরও উৎসাহিত হয় বলে মনে করেন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি আ ন ম আতাউল্লাহ নাঈম। তিনি বলেন, ‘বাজারে আইনি ব্যবস্থা বা জরিমানা যা হয়, তার পুরোটাই কাগজে-কলমে। কোনো দৃশ্যমান প্রভাব বাজারে পড়ে না। পুঁজিবাজারে কারসাজিকারীরা হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সামান্য কিছু টাকা জরিমানা দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে। তারা উল্টো নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। অপরাধীদের স্থায়ী শাস্তির বিধান না করলে এই বাজার কখনোই উন্নত হবে না।’

এমটিবি সিকিউরিটিজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কারসাজি করে অবৈধভাবে মুনাফা করছে ১৫০ কোটি টাকা, কিন্তু বিএসইসি কর্তৃক আরোপিত জরিমানা যদি দুই কোটি টাকা হয়, তাহলে সেই অপরাধীর নিট মুনাফা ১৪৮ কোটি টাকা। এই সাধারণ গাণিতিক সমীকরণের কারণে গত ১৫ বছরে পুঁজিবাজারে অপরাধ কমার বদলে চক্রগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। জরিমানা দিয়ে তারা এক প্রকার আইনি বৈধতা পেয়ে নতুন আরেকটি শেয়ারে কারসাজিতে নামে।’

তিনি বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরে বিএসইসির অন্যতম বড় ব্যর্থতা ছিল ইনসাইডার ট্রেডিং এবং বড় বড় করপোরেট উদ্যোক্তাদের কারসাজি ধরতে না পারা। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি, তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক এবং বড় ব্রোকারেজ হাউজের মালিকদের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেটকে বিগত দিনে বিএসইসি একপ্রকার অধরা করে রেখেছিল। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সামান্য ভুল করলে কঠোর ব্যবস্থার মুখোমুখি হলেও, বড় গ্যামলারদের ক্ষেত্রে কমিশন কেবল আইন মেনে চলার তাগিদ দিয়ে চিঠি পাঠাতো।’

জানা গেছে, সিকিউরিটিজ আইনে কারসাজিকারীদের কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড, সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ এবং পুঁজিবাজার থেকে আজীবন নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিএসইসি সবসময় আর্থিক জরিমানার দিকেই ঝুঁকে ছিল।

বিগত ১৫ বছরে পুঁজিবাজারে আর্থিক জালিয়াতি, ভুয়া আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগে শতাধিক ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের জন্য ২০১৫ সালে বিশেষ ক্যাপিটাল মার্কেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনালে বিগত বছরগুলোতে ২৮টি মামলা পাঠানো হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলার রায় হলেও অধিকাংশ উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ বা আইনি মারপ্যাঁচে ধীরগতিতে চলছে। শেয়ারবাজারের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে বিগত ১৫ বছরে বেশ কিছু বড় মামলা ও অভিযোগের ফাইল দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে ইবিএল সিকিউরিটিজ ও মোনার্ক মার্ট সংশ্লিষ্ট প্রায় ২৫৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার তদন্তে বিএসইসি থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দ করেছে দুদক।

এদিকে বিগত দেড় দশকে বিশেষ করে বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের পুরো সময় জুড়ে যেসব অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে বিএসইসি বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা আরোপ করেছে। গত সরকারের আমলে পুঁজিবাজারে হওয়া কারসাজি, জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিএসইসি মোট এক হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা জরিমানা আরোপ করেছে। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান এবং তার ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমানকে পুঁজিবাজার থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা এবং যথাক্রমে ১০০ কোটি ও ৫০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামকে আজীবন এবং সাবেক কমিশনার ড. শামসুদ্দিন আহমেদকে ৫ বছরের জন্য পুঁজিবাজারের সব কর্মকাণ্ড থেকে নিষিদ্ধও করা হয়েছে।

এছাড়াও বিনিয়োগকারীদের তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে তামহা সিকিউরিটিজ, বাঙ্কো সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ এবং মশিউর সিকিউরিটিজের ব্রোকারেজ লাইসেন্স বাতিল করে ফৌজদারি মামলা দায়ের ও দুদকে পাঠানো হলেও জরিমানা আদায়ে আশানুরূপ অগ্রগতি না থাকায় কারসাজি চক্র আইনের ম্যারপেঁচে বেঁচে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, “স্পেশাল ট্রাইব্যুনালকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে একটি সুনির্দিষ্ট আইনি প্রস্তাবনা সরকারের কাছে জমা দিয়েছে কমিশন। ‘সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯’ এবং ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩’—এই দুটি আইনের সমন্বয় ঘটিয়ে এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। বর্তমান নিয়মে ট্রাইব্যুনালে সরাসরি মামলা করার সুযোগ নেই। প্রস্তাবিত সংশোধনীটি জাতীয় সংসদে পাস হয়ে আইন হিসেবে কার্যকর হলে, কমিশনের নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরাসরি স্পেশাল ট্রাইব্যুনালেই মামলা দায়ের করা যাবে। সেকশন ২২-এর ওই ধারার অধীনে কমিশন শুনানি শেষে ন্যূনতম এক লাখ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো অংকের জরিমানা করতে পারে। তবে এই ধারায় জরিমানা করা হলে উক্ত অপরাধের বিপরীতে অন্য কোনো ফৌজদারি কার্যধারা (মামলা) চালানো যায় না। সেকশন ২৪-এ কমিশন যদি জরিমানা না করে সরাসরি মামলায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ন্যূনতম ৫ লাখ টাকা থেকে অনির্দিষ্ট অংকের জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রথমে কমিশনের অনুমোদিত কর্মকর্তার মাধ্যমে সেশন কোর্টে (দায়রা আদালত) লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হয়। মামলাটি সেশন কোর্টেই ট্রায়াল হয়। তবে কমিশন যদি চায় মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হোক, তাহলে সেশন কোর্টে আবেদন করে মামলাটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করে নিতে পারে। বাজার কারসাজি বা ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের মতো সিকিউরিটিজ আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের গ্র্যাভিটি (ভয়াবহতা) বিবেচনা করেই কমিশন জরিমানা ধার্য করে। তবে জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে কিছু আইনি প্রক্রিয়া ও অধিকার জড়িত থাকে। জরিমানার আদেশ হওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে ‘রিভিশন’ ও পরবর্তীতে ‘রিভিউ’ আবেদন করার আইনি সুযোগ পান। এই প্রক্রিয়াগুলো শেষ হওয়া পর্যন্ত কমিশনকে অপেক্ষা করতে হয়।”

বিএসইসির মুখপাত্র বলেন, “বিগত সময়ে প্রায় এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা জরিমানা হলেও আদায় হয়েছে মাত্র ৩৩ লাখ টাকার মতো। এর কারণ হিসেবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইনি মারপ্যাঁচ এবং উচ্চ আদালতে রিট বা স্টে-অর্ডারের (স্থগিতাদেশ) কারণে অনেক সময় প্রক্রিয়া আটকে থাকে। তবে টাকা আদায় না হলেও কারসাজিকারীকে বেগ পেতে হচ্ছে। বর্তমানে অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, কমিশনের জরিমানার আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে কেউ আদালতে যেতে হলে জরিমানার ১৫ শতাংশ অর্থ আগে জমা দিতে হয়। এই কঠোর নিয়মের কারণে অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারছে না এবং এই বকেয়া তাদের ওপর ‘পাবলিক ডিমান্ড’ হিসেবে আজীবন থেকে যাচ্ছে। বকেয়া টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা যোগ হতে থাকে। ফলে এটি অপরাধীর জন্য একটি বিশাল স্থায়ী দায় বা লায়াবিলিটি হিসেবে কাজ করে। টাকা পরিশোধ বা আইনি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ফাঁদ থেকে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

দীর্ঘসূত্রতার কারণে বর্তমানে কমিশন প্রশাসনিক জরিমানা ও নিজস্ব প্যানেল লয়ারদের মাধ্যমে বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে সরকারের কাছে পাঠানো নতুন আইনটি পাস হয়ে গেলে কমিশন জরিমানার চেয়ে সরাসরি স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের দিকে বেশি মনোযোগী হবে, যা শেয়ার বাজারের অপরাধ দমনে আরও কঠোর ও দ্রুত ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বিএসইসির মুখপাত্র।

Exit mobile version