Site icon dailysharenews.com – Share Market News Portal in Bangladesh

বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি

আর্থিক খাতে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি কূটনৈতিক যোগাযোগ শক্তিশালী করা, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক পুঁজিবাজারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা গভীর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার এ অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। সম্প্রতি তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

পুঁজিবাজার, বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত পরামর্শে তানভীর গনির রয়েছে বিস্তৃত আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা। বর্তমানে তিনি হংকং-ভিত্তিক উদীয়মান বাজারভিত্তিক বিনিয়োগ ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ওসিরিস গ্রুপ’-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি টাইবোর্ন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে প্রেসিডেন্ট ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে কাজ করেছেন। তার নেতৃত্বে এশিয়া, হংকং ও সান ফ্রান্সিসকোসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বাজারে প্রযুক্তি, ফিনটেক, স্বাস্থ্যসেবা ও বায়োটেক খাতে বিনিয়োগ কৌশলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়।

নতুন দায়িত্বে তানভীর গনি বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংযোগ আরও জোরদার করতে কাজ করবেন। তিনি বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের আস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবেন।

তার কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশকে উচ্চমানের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)-এর জন্য প্রতিযোগিতামূলক গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এ লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)সহ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন।

বাংলাদেশ যখন একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন তানভীর গনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক যোগাযোগকে আরও পেশাদার ও কার্যকর করার ওপর জোর দেবেন। পাশাপাশি প্রথাগত খাতের বাইরে বিনিয়োগের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং পুঁজিবাজারকে আরও গভীর করার লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

নিয়োগ প্রসঙ্গে তানভীর গনি বলেন, “বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অবস্থান করছে। বৈশ্বিক ‘ব্রেকআউট নেশন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক আস্থা অর্জন অপরিহার্য।” তিনি আরও বলেন, “স্বচ্ছতা, ধারাবাহিক নীতি বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চাই, যা টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।”

Exit mobile version